নিউটনের গতিসূত্রসমূহ

নিউটন একবার পার্কে হাঁটছিলেন। তাঁর পাশাপাশি একটা ছাগলও হাঁটছিল। কী মনে করে যেন নিউটন ছাগলটাকে দু’হাতে ধরে থামালেন আর তখনই গতিসূত্রের প্রথম সুত্রখানা আবিস্কার করলেনঃ
“বাহ্যিক কোন বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থির এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকে”
এরপর নিউটন ছাগলটিকে F পরিমান বল প্রয়োগ করে কষে একটা লাথি মারলেন। লাথি খেয়ে ছাগলটা তারস্বরে চেঁচিয়ে ডেকে উঠলো “ম্যা” (ma)। নিউটন আবিষ্কার করলেন গতির দ্বিতীয় সুত্রঃ
F=ma
ওদিকে F পরিমান বলযুক্ত লাথি খেয়ে ছাগলটিও পাল্টা নিউটনকে কষে একটা ফিরতি লাথি দিল। সেই লাথি খেয়ে নিউটন আবিস্কার করলেন তার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ সুত্রটিঃ
সকল ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে

 

সৌজন্যঃ বিপ্লব ভাই

  শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ

ঠিক চল্লিশ বছর আগে ১৯৭১ সালে তোমার জন্ম হয়েছিল। দেখতে দেখতে ঠিক চল্লিশটা বছর পার হয়ে গেল। চল্লিশ বছরে দেশের বড় বড় লোকেরা তোমাকে কেটকুটে খাচ্ছে প্রতিদিন। জন্মের পরপরই তুমি পেয়েছ ফারাক্কা, এবার হয়তো টিপাইমুখটাও পেয়ে যাবে। উড়ালসেতু, পদ্মাসেতু, পাতালসেতু – এইসব গালভরা নামের সাথে সেইসব বড়লোকেরা তোমাকে সেতু কেলেঙ্কারীতে ফাঁসিয়ে দেয়। ট্রানজিট নামের এক ‘ভদ্রতার’ কারণে তোমার ভেতর দিয়ে অন্য দেশের যন্ত্র দানবকে নিঃসংকোচে চলে যাবার অনুমতি দেয় – এসব দানবরা যে তোমার হার-পাঁজড় গুড়িয়ে দেবে সেটা নিয়ে তাদের বিন্দুমাত্র উৎকন্ঠা নেই। এইসব বড় বড় লোকেরা, তোমার খাঁটি সন্তানদের, যারা তোমাকে স্বাধীন করেছিল, তাদেরকে দেয়নি কিছুই। নোবেল পুরস্কার পেয়ে বিশ্ব দরবারে তোমার নাম উজ্জ্বল করা এক সন্তানকে নিয়ে কেটেকুটে ফেলতে চেয়েছিল অনেকেই। ওরা এটুকুও অনুভব করেনি যে নিজের ভাইকে চড় দিলে সেটা নিজের গায়েই লাগে। চল্লিশ বছর আগে, তোমার মেধাবী সন্তানদের যারা মেরে সাপ করে ফেলেছিল, সেসব খুনীগুলো কিন্তু এখনো বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে – তাদের কিছুই হয়নি – বড় বড় লোকেরা তাদের কিছুই করেনি! ঘুষাঘুষি আর দুর্নীতি করে সেসব বড় বড় লোকেরা এখন বিদেশ বিভুঁইয়ে বাড়ি গাড়ি করে। কেউ কেউ তোমাকে শাসন করে, কেউ কেউ আবার তোমাকে শাসন করতে না পেরে ভিন্ন ভিন্ন পথ খুঁজে বেড়াচ্ছে। তোমাকে ওরা পন্য হিসেবেই দেখে, তোমার কোন দাম তাদের কাছে নেই।

  Keep reading →  

  জাগো

স্বপ্ন তো আমরা কতই দেখেছি এবং দেখেও যাচ্ছি। কিন্তু দেখে যাওয়া স্বপ্নকে কীভাবে বাস্তবতায় রূপ দিতে হয় সেটা ক’জনেরই বা জানা আছে? আমাদের বেশিরভাগেরই দৌড় কেবল ঐ স্বপ্ন দেখা পর্যন্তই। স্বপ্ন দেখে সেটাকে আঁকড়ে ধরে কীভাবে তাকে বাস্তবে গড়ে নিতে হয় সেটা দেখিয়েছেন খিজির হায়াত খান! “জাগো” সিনেমাটিতে তিনি একদল তরুণের গল্প শুনিয়েছেন, যারা দেশের টানে উজ্জীবিত হয়ে অসম্ভব এক অধরা স্বপ্নকে টেনে হিঁচড়ে বাস্তব জগতের মাটিতে নামিয়ে এনেছে।


  Keep reading →  

  ভয় পেয়োনা, ভয় পেয়োনা!

ইদানিং টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে বেশ হইচই হচ্ছে। হইচই হবেইনা বা কেন? ভারত রীতিমত ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশের গলা চেপে ধরছে – হইচই তো হবেই। ১৯৭৫ এর ফারাক্কা বাঁধ যখন দেয়া হয়, তখন কেবল মাওলানা ভাসানীই এটা নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন। অন্যরা তেমন একটা উচ্চবাচ্য করেনি, বিশেষ করে সরকার পর্যায়ে ‘কিছুই’ হয়নি! সেই ‘কিছুই না হওয়া’কেই ভারত আমাদের দুর্বলতা ধরে নিয়ে এবার টিপাইমুখে বাঁধ দিচ্ছে। অবাক ব্যাপার হচ্ছে, এবারও সরকারের কাছ থেকে কোন উচ্চ কিংবা নিম্ন – কোন বাচ্যই নেই! নিজেদেরও টনক নড়ছেনা, ফলশ্রুতিতে তারা ভারত সরকারের টনকও নাড়াচ্ছেনা। কিন্তু আমরা সাধারণ জনতাতো আর বসে থাকতে পারিনা। তাই দেশজুড়ে শুরু হয়ে গেছে প্রতিবাদ। অনলাইন-অফলাইন সবখানে চলছে দেখা যাক আমাদের সরকারের টনক কদ্দূর নড়ে। আমাদের সরকারের টনক নড়লে পরে তবেই না ভারত সরকারের টনক নড়ার ব্যাপারটা আসে।

  Keep reading →  

  আমরা যারা আশির দশকে জন্মেছিলাম

মনে পড়ে যায়… আশির দশকের সেইসব সোনালী দিনগুলোর কথা।

মনে পড়ে যায়… শুক্রবারের থান্ডারক্যাটস বা জেটসন্স এর কথা। সঙ্গে ছিলো ক্যাপ্টেন প্ল্যানেট, কেয়ার বেয়ার আর টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টেলস। আরো ছিল ভল্ট্রন আর গোবট।

মনে পড়ে যায়… রবিবার আর বুধবার রাত থাকতো ইংলিশ সিরিয়ালের জন্য বরাদ্দ। ম্যাকগাইভার, মায়ামি ভাইস, এয়ারউলফ, নাইট রাইডার, স্টারট্রেক, দ্যা ফলগাই, দ্যা এটিম, হাওয়াই ফাইভ ও… কতকিছু।

মনে পড়ে যায়… বহুব্রীহি, সংশপ্তক আর এইসব দিনরাত্রির কথা। তখন কেউ সারাদিন টিভির সামনে বসে থাকতোনা, কারন শুক্রবার ছাড়া বিটিভি প্রতিদিন দুপুর দুইটা থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত চলতো। ছিলনা অন্য কোন চ্যানেল দেখার সুযোগ।

মনে পড়ে যায়… ঈদ আনন্দমেলা, যদি কিছু মনে না করেন আর ইত্যাদির কথা।

মনে পড়ে যায়… প্রতি বুধবারে রাত নটায় ম্যাকগাইভার দেখার জন্য নৃত্যের তালে তালে অনুষ্ঠানটা জোর করে দেখার কথা।

  Keep reading →  

রঙ্গবাণী

Quote

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িচালককে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কী পাস? সে বলল, ‘‘আমি তো স্যার ফাইভ পাস।’’ সেও প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি ভালোভাবে চালায়।

- নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান

ধর্মমতে মুসলমানদের কোনো অকালমৃত্যু নেই। তারেক (চলচ্চিত্র পরিচালক তারেক মাসুদ) ও মিশুক (সাংবাদিক মিশুক মুনীর) তাদের জন্য নির্ধারিত সময়েই মারা গেছে।

- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির

Continue reading

  মুবারাকময় ঈদ কিংবা ঈদ মুবারাক

গত তিনটা ঈদ (ফিতর আর আদহা আলাদা করে ধরলে অবশ্য সংখ্যাটা দাঁড়ায় ছয়ে) দেশের বাইরে করার সময় মন মেজাজ খুব ত্যাড়া-ব্যাড়া হয়ে থাকত। জন্মের পর থেকেই কাছের মানুষজনদের নিয়ে ঈদ করার অভ্যাস। কাছের মানুষজন না থাকলে ঈদ যে কতটা স্বাদহীন পানসে হতে সেটা দেশের বাইরে না গেলে টের পেতাম না। বিদেশীরা তো আর ঈদ করেনা। তাই ঈদের দিনটার সাথে আর অন্য দশটা দিনের তেমন কোনই পার্থক্য থাকেনা। শুধুমাত্র সকালবেলা ঈদের নামাজ পড়তে গেলে মসজিদের সামনে আরো কিছু লোকজন দেখা যায় – এই যা, এর বেশি কিছু না, নামাজ আদায় করেই লোকজন ছুটে যায় নিজ নিজ কর্মস্থলে, কারো দিকে কারো তাকাবার সময় পর্যন্ত নেই! একেবারে জঘন্য ঈদ বলতে যা বোঝায় সেটাই হয় বিদেশ-বিভুঁইয়ে। যারা বিদেশ থাকেন তাদের সবার কাছেই ব্যাপারটা এইরকম খারাপ লাগে কী না আমি তা জানিনা, তবে একদম ছোটবেলা থেকে পরিবারঘেঁষা বলেই হয়তো এই বর্ণহীন-দ্যুতিহীন ঈদের দিনটা আমার মন মেজাজকে ঈদের আগের রাত থেকেই চিরেচ্যাপ্টা করে রাখত। আল্লাহর অশেষ রহমত যে আমি এইবার আবার আমার কাছের মানুষদের সাথে নিয়ে ঈদ করতে পারছি! পরপর তিনবার দেশের বাইরে বিস্বাদ ঈদ করার পর কাছের মানুষদের সাথে নিজের দেশে নিজের শহরে নিজের বাসায় ঈদ করাটা যে কতটা আনন্দের হতে পারে সেটা নিজে অনুভব না করলে লিখে বোঝানো সম্ভব নয়। দোয়া করি সবার ঈদ যেন সত্যিকার অর্থেই মুবারাকময় হয়।

  Keep reading →