ধাপে ধাপে উবুন্টু ইন্সটলেশান (পার্টিশান ছাড়া, ডুয়েল বুট)

এই টিউটোরিয়ালটা হচ্ছে তাদের জন্য যারা উবির সাহায্য ছাড়াই সম্পূর্ণরূপে উবুন্টুকে উইন্ডোজের পাশাপাশি হার্ডডিস্কে ইন্সটল করতে চান, কিন্তু নিজে নিজে পার্টিশন করতে ভয় পান। এই টিউটোরিয়াল অনুযায়ী ইন্সটল করলে আপনার পিসিতে উইন্ডোজ ও উবুন্টু ডুয়েল বুট থাকবে, অর্থাৎ আপনি উইন্ডোজ বা উবুন্টু যেকোনো একটা পছন্দ করে চালাতে পারবেন।

  • পূর্বপ্রস্তুতিঃ

১। এ টিউটোরিয়ালের জন্য আপনার কম্পিউটারে একাধিক পার্টিশন থাকতে হবে। একাধিক পার্টিশান না থাকলে এই পদ্ধতিতে কাজ করতে পারবেননা।

২। যে পার্টিশনে উবুন্টু ইন্সটল করতে চান উইন্ডোজে থেকে সেটাতে অন্তত ১০ গিগাবাইট ফাঁকা জায়গা বের করুন, তারপর সেটাকে ডিফ্র্যাগমেন্ট করুন। খুব ভালো হয় যদি ১০ গিগাবাইট বা তার চেয়ে বড় একটা পার্টিশনকে পুরোপুরি খালি করে ফর্ম্যাট করে ফেলতে পারেন। এক্ষেত্রে পার্টিশন নির্বাচন করার জন্য C: ড্রাইভকে এড়িয়ে চলুন,অর্থাৎ ভুলেও C: কে উবুন্টু ইন্সটল করার পার্টিশন হিসেবে নেবেন না।

৩। ডিফ্র্যাগমেন্ট করা শেষ হয়ে গেলে, উবুন্টুর সিডি বা ইউএসবি স্টিক কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে কম্পিউটার বুট করুন।

৪। কম্পিউটারের বুট মেনু থেকে প্রয়োজনমত সিডি-ড্রাইভ বা ইউএসবি-ড্রাইভকে ফার্স্ট বুট ডিভাইস হিসেবে সিলেক্ট করুন। (যদি আগে থেকে করা না থাকে)।

সব যদি ঠিকঠাকমত করে থাকেন তাহলে চলুন শুরু করি উবুন্টু ইন্সটলেশান।

  • উবুন্টু ইন্সটলেশানঃ

১। উবুন্টুর সিডি বা ইউএসবি স্টিক কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে কম্পিউটার বুট করুন। কম্পিউটারে উবুন্টু বুট হলে পরে নীচের মত স্ক্রিন পাবেন। যদি লাইভ সিডি চালিয়ে দেখতে চান তাহলে “Try Ubuntu” বাটনে ক্লিক করুন। যেহেতু আমরা ইন্সটল করতে চাইছি তাই “Install Ubuntu” বাটনে ক্লিক করব।

২। এবার ভৌগলিক অবস্থান ও সময় নির্বাচন করুন। Forward বাটনে ক্লিক করুন।

৩। কিবোর্ড নির্বাচন করুন। বাই ডিফল্ট USA দেয়া থাকে, সাধারণত বাংলাদেশে আমরা এটাই ব্যবহার করি। তাই এটাই নির্বাচন করুন। Forward বাটনে ক্লিক করুন।

৪। এবার হার্ডডিস্ক দেখিয়ে দেবার পালা। যে উইন্ডোটি এখন দেখছেন সেখানে খেয়াল করলে দেখবেন যে উপরের দিকে আপনার হার্ডডিস্কের বর্তমান অবস্থা অর্থাৎ কয়টি পার্টিশান আছে, কোন পার্টিশানে উইন্ডোজ আছে ইত্যাদি তথ্য দেখাচ্ছে। এবার “Install them side by side” অপশনটি নির্বাচন করুন। এতে করে উবুন্টু নিজেই আপনার হার্ডডিস্ক থেকে যে পার্টিশনে নিরবিচ্ছিন্ন ফাঁকা জায়গা পাবে সেখানেই ফাঁকা জায়গা বের করে সেটাকে ফর্ম্যাট করে ইন্সটলেশানের কাজ শুরু করবে। Forward এ ক্লিক করুন। (এই ফাঁকা জায়গাটা বের করার জন্যই পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে আমরা ১০ গিগা জায়গা খালি করেছিলাম, আর ফাঁকা জায়গাটা যতটুকু সম্ভব নিরবিচ্ছিন্ন করার জন্যই ডিফ্র্যাগমেন্ট করেছিলাম।)

৫। একটা ম্যাসেজ দেখাবে, যেটা কিনা পার্টিশন রিসাইজ করার আগে আপনাকে পাঠানো উবুন্টুর শেষ সতর্কবার্তা। Continue বাটনে ক্লিক করুন।

৬। এবার আপনাকে কিছু তথ্য পূরণ করতে হবে। আপনি যে ইউজারনেম বা পাসওয়ার্ড নিয়ে লগিন করতে চান সেগুলো এখানে দেবেন। একদম নীচে দেখবেন যে লগিন করার তিনটি পদ্ধতি দেয়া আছে। প্রথমটিতে কোন পাসওয়ার্ড ছাড়াই লগিন করার জন্য, যেটা কিনা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। দ্বিতীয় অপশনটিতে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করার অপশন যা কিনা প্রথমটির চেয়ে সুরক্ষিত। আর তৃতীয় পদ্ধতিটি হল আপনার হোম ডিরেক্টরি (যেখানে আপনার সব ডাটা, তথ্য, ফাইল-টাইল ইত্যাদি থাকবে) এনক্রিপ্টেড থাকবে। এতে করে যদি আপনার হার্ডডিস্ক চুরিও হয়ে যায় আর চোর যদি পুরোনো উবুন্টু মুছে ফেলে নতুনভাবে উবুন্টু ইন্সটল করে তারপরও আপনার পাসওয়ার্ড না জানলে সে আপনার হার্ডডিস্কে ঢুকতে পারবেনা। তৃতীয় পদ্ধতিটিই সবচেয়ে কার্যকরী। নির্বাচন করা শেষ হয়ে গেলে Forward এ ক্লিক করুন।

৭। আপনার পিসিতে থাকা উইন্ডোজের কোন সেটিং উবুন্টুতে ব্যবহার করতে চান কি না সেটা জিজ্ঞেস করবে। কোন কিছু সিলেক্ট না করলেও চলে। প্রয়োজনমত সিলেক্ট করে বা না করে পরের ধাপে যেতে Forward এ ক্লিক করুন।

৮। শেষবারের মত আপনার ইন্সটলেশানের বিভিন্ন তথ্যগুলো প্রদর্শিত হবে।

৯। এবার Install বাটনে ক্লিক করলেই উবুন্টু ইন্সটলেশান প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। নীচের মত ইন্সটলেশান প্রক্রিয়ার সময় উবুন্টুর পরিচিতিমূলক বেশ কিছু স্ক্রিনশট দেখতে পাবেন।

১০। ইন্সটলেশান শেষ হয়ে গেলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে বলবে। Restart Now তে ক্লিক করুন।

১১। সিডি বের করে নিতে বলবে। সিডি বের করে নিয়ে Enter চাপুন।

১২। কম্পিউটার রিস্টার্ট হলে এবার নীচের মত একটি মেন্যু দেখবেন যেখানে আপনাকে অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন করার অপশন দেয়া হবে। একে বলা হয় “গ্রাব মেন্যু” বা শুধু “গ্রাব”। গ্রাবের সবচেয়ে নীচে উইন্ডোজ পাবেন। উবুন্টু সিলেক্ট করে Enter চাপলে আপনার পিসি উবুন্টুতে চালু হবে।

ব্যস আপনার উবুন্টু ইন্সটল করা শেষ। উপভোগ করতে থাকুন উবুন্টুর অনিন্দ্যসুন্দর দুনিয়া।

54 thoughts on “ধাপে ধাপে উবুন্টু ইন্সটলেশান (পার্টিশান ছাড়া, ডুয়েল বুট)”

  1. ইশ্! উবুন্টু ইনষ্টলের আগে যদি পোষ্টটা পেতাম !!

  2. আমি উবুন্টু ডাউনলোড করেছিলাম, সেটা একটা জিপ ফাইল। সেটা থেকে রাইট করার পর স্টার্ট-আপে সিডি থেকে বুট করল না। তখন উবি থেকে চেষ্টা করেছিলাম তাও ব্যর্থ, মেসেজ দিল- ইনস্টলেশন ফেইল্ড, ফাইল কোরাপ্ট। আচ্ছা উবুন্টুর ISO image file ডাইনলোড করা যায়না? সে রকম কোন লিঙ্ক দিন না। আরেকবার ডাইনলোড করতেই হবে যখন যদি একেবারে ইমেজ পাই খুব ভালো হয়।

    1. আপনি জিপ ফাইল কোথা থেকে পেলেন, ভাই! উবুন্টুর সাইটে তো আইসো ফাইলেরই ডাউনলোড লিংক দেয়া! কোনো জিপ ফাইলের কাহিনীতো নেই! যাই হোক, সিডি সংগ্রহের জন্য এই লেখাটি একটু দেখুন তো…

      1. আমার মনে হয় তাপস ভাই iso টাই ডাউনলোড করেছেন … কিন্তু winrar দিয়ে ওপেন হওয়ায় জিপ ফাইল ভেবেছেন .

        উবুন্টু ইনস্টলের তিনটা পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ নীল ভাইয়া …

  3. আমি http://www.ubuntu.com/desktop/get-ubuntu/download থেকে উবুন্টুর ubuntu-10.04-desktop-i386.iso (699MB ফাইল) download করে pendrive এর মাধ্যমে boot করে আপনার উল্লেখিত বর্ণনা অনুসারে ৯ ধাপ পর্যন্ত আসতে পেরেছি। এবং এর কছুক্ষণ পর(৪৭% ফাইল কপি হওয়ার পর) সিডি অথবা Hard Drive এ Error আছে, তা দেখাচ্ছে এবং install প্রক্রিয়া থেমে যাচ্ছে। সমাধান কি? উল্লখ্য ubuntu-10.04-desktop-i386.iso ফাইলটি অনেক কষ্ট করে 9kBps speed এ download দিয়েছিলাম। দয়া করে তা আবার download দিতে বলবেন না।

    1. একটাই সমস্যা হতে পারে সেটা হল, আপনি যে iso ফাইলটি নামিয়েছেন সেটা ঠিকঠাকমত ডাউনলোড হয়নি অর্থাৎ করাপ্টেড। এজন্য আমি সবসময় ডাউনলোডের জন্য টরেন্ট ব্যবহার করতে পরামর্শ দিই। তবে করাপ্টেড ফাইলের জন্য আপনাকে আবার iso ইমেজ ডাউনলোড করতে হবেনা। করাপ্টেড ফাইলটি মেরামতের জন্য আপনি এই পোস্টটি'র "MD5 Sum চেক" অংশটি দেখুন।

  4. নীলুদা বিপদ পড়লাম তো!
    আমি গতকাল রাতে উবুন্টু ইনেষ্টল দিচ্ছিলাম আপনার এই পদ্ধত অনুযায়ী। সব ঠিক মতই চল ছিল। সব গুলো ধাপ পেরিয়ে ফাইনাল ইনেষ্টলের প্রাই শেষ পর্যায়ে (১৮%) এ চলে এসেছি… ঠিক এই সময়ে চলে গেল বিদ্যুৎ। পরে যখন বিদ্যুৎ এলো তখন আবার উবুন্টু সিডি থেকে বুট করলাম দেখি যে আবার প্রথম থেকে শুরু করতে হচ্ছে! তখন আর দেরী না করে চলে গেলাম আমার এক্সপিতে…. ভাবলাম আবার প্রথম থেকে শুরু করব তাই যে পার্টিশানে উবুন্টু সেটাপ দিচ্ছিলাম সেটা আবার ফরমেট করে ফাকা করে নতুন ভাবে উবুন্টু দেই। কিন্তু একি দেখি আমার ১৪.৯ গিগার পার্টিশান ৬.২০ গিগা হয়ে গেছে…. তাহলে বাদবাকি ৮.৭০ গিগা গেল কই?

    এখন আমি কি ভাবে আমার সেই পার্টিশান পুনরায় ১৪.৯ গিগায় ফিরে পাব???
    (বিঃদ্রঃ পূর্বে কখন পার্টিশান ভাঙ্গা-গড়ার কাজে অভিজ্ঞতা নেই)

    1. হুমম… মনে হচ্ছে সব ঠিকই আছে। উবুন্টুর ফাইল সিস্টেম হচ্ছে ext, যেটা উইন্ডোজ পড়তে পারেনা। উইন্ডোজ আসলে NTFS ও FAT ছাড়া অন্য কিছুই পড়তে পারেনা! যেহেতু ext4 ব্যবহার করেছেন সেহেতু উইন্ডোজ আপনার পার্টিশন পড়তে পারছেনা, তাই আপনার কিছু জায়গা মিসিং দেখাচ্ছে। এটাতে ঘাবড়াবার কিছু নেই।

      তবে মাঝপথে বিদ্যুৎ চলে গিয়ে আপনাকে বেশ ভালোভাবেই প্যাচে ফেলেছে। আপনাকে এখন যেটা করতে হবে সেটা হল উবুন্টুর লাইভ সিডি চালিয়ে GParted নামের সফটওয়্যার দিয়ে পার্টিশনটা ঠিক করে নিতে হবে। তাছাড়াও আরেকটা পদ্ধতি আছে, সেটা হল উবুন্টু ইন্সটল করার সময় ম্যানুয়লি পার্টিশনটা ঠিক করে দেয়া। ব্যাপারটা শুনতে কঠিন মনে হলেও আসলে খুবই সোজা। আপনি কি কয়েকদিন অপেক্ষা করবেন? আপ্র চালু হলে সেখানে এটা নিয়ে বিস্তারিত ধাপে ধাপে আলোচনা করা যাবে। ব্লগের কমেন্টের বক্সে বিষয়টা আলোচনা করা বেশ কঠিন। ছবিসহ ধাপে ধাপে বোঝাতে পারলে ভালো হত, সেজন্যই ফোরামের কথা বলেছিলাম।

      যদি তাড়া থাকে তাহলে অবশ্য এখানেই চেষ্টা করে দেখতে পারি। আপনি এই পোস্ট অনুসারে চার নম্বর ছবি পর্যন্ত আসুন। এবার চার নম্বর ছবির মত করে আপনার উবুন্টুর পার্টিশনের তথ্যগুলো বের করতে পারবেন? মানে কোন ড্রাইভে উবুন্টু ইন্সটল হবার চেষ্টা হচ্ছিল? তাহলে একবার চেষ্টা করে দেখতে পারতাম। তথ্যটা বের করে ফেললে নীচের Quit বাটনে চেপে ইন্সটলেশন বন্ধ করে বেরিয়ে আসুন।

  5. তাহলে আমি আপ্রের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
    আসলে আমার পূর্বে কখন পার্টিশান ভাঙ্গা-গড়ার কাজে অভিজ্ঞতা নেই।
    আমি এই সাথে শিখে নিতে চাই কিভাবে আবার আমার সেই ড্রাইভকে NTFS বা FAT এ রূপ দিব।
    ধন্যবাদ।

  6. আমার সমস্যাটা নেট কানেকশন দিতে পারছি না।সম্প্রতি উবুন্টু ১০.০৪ লুসিড লিনক্স পিসিতে এই পদ্ধতিতে ইন্সটল দেই।কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও নেট কনেকশন দিতে পারছিনা।
    আমার ব্রডব্যান্ড সংযোগ dsl/pppoe পদ্ধতির কিন্তু হচ্ছে না।আমি network connections.dsl ট্যাব ব্যাবহার করেছি কিন্তু এতে আমার নতুন করা কানেকশনের বদলে বারবার auto eth0 কানেক্টেড হয়ে যায়।আবার sudo pppoeconf কমান্ড দিয়ে sudo pon dsl-provider লিখলে একটি অদ্ভুত ইরর দেখায় এরকম
    Plugin rp-pppoe.so loaded.
    RP-PPPoE plugin version 3.8p compiled against pppd 2.4.5
    কোনভাবেই নেট কানেকশন পাচ্ছি না।একটু সাহায্য দরকার।

    1. দুটো প্রশ্ন মাথায় আসছে।

      একঃ আপনার ম্যাক অ্যাড্রেস কি লক করে দেয়া? কিংবা আপনাকে কি কোনো পাসওয়ার্ড দিয়ে নেটে ঢুকতে হয়?
      দুইঃ আপনি ডিএনএস ঠিকমত দিয়েছিলেন তো?

      যদি আপনাকে পাসওয়ার্ড দিয়ে কানেক্ট করতে হয় তবে উপরের প্যানেলে নেটওয়ার্ক ম্যানেজার আইকনে ক্লিক করুন। ওখান থেকে DSL সিলেক্ট করুন। সেখানে ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ড দিন।

      যদি আপনাকে পাসওয়ার্ড দিয়ে কানেক্ট করতে না হয় তবে নিশ্চিত করুন যে আপনার ইন্টারনেট প্রোভাইডার আপনার ম্যাক অ্যাড্রেস লক করে দিয়েছে কিনা আর আপনি ঠিকমত ডিএনএস অ্যাড্রেস দিয়েছেন কিনা।

      1. জী আমাকে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ঢুকতে হয়।তবে আপনার ম্যাক এড্রেস লক ঠিক বুঝলামনা।

        ডিএনএস ঠিক দিয়েছি।তবে sudo pppoeconf দিয়ে শেষে plog কামান্ড দিলে এই লেখ দেখায়

        [bash]Aug 6 01:12:13 rono-desktop pppd[1387]: PPP session is 1369

        Aug 6 01:12:13 rono-desktop pppd[1387]: Connected to 00:0c:42:71:f1:20 via interface eth0

        Aug 6 01:12:13 rono-desktop pppd[1387]: Using interface ppp0

        Aug 6 01:12:13 rono-desktop pppd[1387]: Connect: ppp0 eth0

        Aug 6 01:12:13 rono-desktop pppd[1387]: MS-CHAP authentication failed: bad username or password

        Aug 6 01:12:13 rono-desktop pppd[1387]: CHAP authentication failed

        Aug 6 01:12:13 rono-desktop pppd[1387]: Connection terminated.[/bash]

        আর ifconfig ppp0 কমান্ড দিলে এই রকম pp0: error fetching interface information: Device not found

        আর আগে যদি network connections>dsl ট্যাব থেকে কানেকশন তৈরি করি যদি তাতেও নেট কানেকশন না পাই তারপর sudo pppoeconf কমান্দ দিলে পিসি রিস্টার্ট করলে নেটওয়ার্ক ম্যানেজার হারিয়ে যায়।

        1. তবে কিছুদিন আগে sudo dhclient কমান্ড দিয়ে নেট কানেকশন পেয়েছিলাম যদিও এখন আর তা কাজ করছে না।

          1. ভাই! কিছুম মনে করবেননা, ক'দিন ধরে বেশ ব্যস্ত আছি, আপনি আপনার সমস্যাটা দয়া করে এখানে বলবেন?

  7. নীলুদা আ.প্র. তো এখনো ডাউন। কি করা যায় আমার সমস্যা টার?

  8. আমি একটা বিষয়ে পরিষ্কার বুঝতে পারলাম না……..

    এই ভাবে উবুন্টু ইনস্টল করলে কি আমি যখন তখন উইন্ডোজ সেটাপ দিতে পারবো..??

    এতে উবুন্টুর কোন ক্ষতি হবে না তো…….???

    দয়া করে বিষয় টা আমাকে একটু বুঝিয়ে বলবেন….

  9. C, D, E, F, G,এই নামে আমার PC HD মোট ৫টি পার্টিশন করা …. এখানে C তে উইন্ডোজ , D সম্পুর্ণ খালি ,E তে ভিডিও, F অডিও এবং G তে অ্যাপ্লিকেশন রাখা আছে ..।
    এখন এই ভাবে উবুন্টু সেটআপ দিলে তা কি আমার ঐ D ড্রাইভে ইনস্টল হবে..??

    আমি উবি দিয়ে উবুন্টু ইনস্টল করে চালায় কিন্তু মাঝে মাঝেই উইন্ডোজ সেটআপ দেওয়া লাগে.। যার ফলে আমাকে উবুন্টু বারবার ইনস্টল করা লাগে …….
    এই ভাবে উবুন্টু ইনস্টল করলে কি আমি যখন তখন উইন্ডোজ সেটাপ দিতে পারবো..?? এতে উবুন্টুর কোন ক্ষতি হবে না তো…….???

    দয়া করে বিষয় টা আমাকে একটু বলবেন……………

    1. নির্ভর করছে D ড্রাইভের জায়গার পরিমাণ কতটুকু?

      তবে এভাবে করলে উবুন্টু ইন্সটল করতে কোনো সমস্যা হবেনা।

      1. সব গুলা পার্টিশনেই 59.6 GB করে জায়গা আছে . D. ড্রাইভেও একই পরিমান এবং পুরাপুরি ফাকা আছে …..

        1. সমস্যা হবার কথা না। তবে তারপরও খুঁতখুঁত থাকলে এখানে বলে দেখতে পারেন। খুঁতখুঁত না থাকলেও এখানে চলে আসুন, অন্তত সমস্যা সমাধানে পাশে অভিজ্ঞদের পাবেন।

  10. উবুন্টু ইন্সটল করতে গিয়ে পার্টিশন করলাম। ভিস্তা দিয়ে। কিন্তু পার্টশনের পরে আর সেই ড্রাইভ দেখাচ্ছেনা। উপরন্তু ৫ গিগা খেয়ে নিল। পরে আবার যখন ড্রাইভ স্রিঙ্ক করলাম তখন মার্জ হলো ঠিকই কিন্তু ২ গিগা নাই হয়ে গেলো। আবার অব্যবহ্রত স্পেস হিসাবে ডিস্ক ম্যানেজমেন্ট এ ঠিকই দেখাচ্ছে। কোন সাজেশন?
    ধন্যবাদ

    আপনার ই-মেইল টা খুজে পেলাম না।

    1. ব্যাপারটা হচ্ছে যে… আমি উইন্ডোজ ভিস্তা বা সেভেন ব্যবহার করিনাই। তাই পার্টিশন কিভাবে কাজ করেছে বা আপনি কিভাবে পার্টিশন করেছেন সে সম্পর্কে ধারণা করতে পারছিনা।

      কোন সাজেশন?

      সাজেশন হচ্ছে আপনি লিনাক্স ফোরাম বা আমাদের প্রযুক্তিতে সমস্যাটা বলে দেখতে পারেন।

  11. আমি আপনার দেখানো পদ্ধতি ফলো করে ইন্সটল করলাম অর্থাৎ ডুয়েল বূট। কিন্তু ইন্সটল শেষে মনে হচ্ছে ভার্সন ৯,১০। ১০,০৪ না। এটা কিভাবে দেখা যায় জানিনা। আমি চাচ্ছি এটা মুছে ফেলে ১০,৪ ইন্সটল করেতে। কিভাবে মুছে ফেলে ইন্সটল করব জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।

    সমস্যা হচ্ছে কোনমতেই ইন্টারনেত ইউজ করতে পারছিনা। আমি ওয়ার্ড ব্রডব্যান্ড ইউজ করি। ওয়ারলেস কানেকশন ও আছে। দুটাই দেখাচ্ছে কানেক্টেড [এই মুহুর্তে ওয়ারলেস কানেকশন ডিসাবল্ড করা আছে] কিন্তু আমি ব্রাউস করতে পারছিনা। ফলে একটু পরপরে সুইচ করতে হচ্ছে যা খুবি বিরক্তিকর। আর ওয়ার্ড কানেকশনে ম্যাক আড্রেস শব্দটার সাথে আমি পরিচিত নই।

    যেহেতু অনলাইনে কানেক্টেড হতে পারছিনা সুতরাং আমি প্রয়োজনীয় সফটওয়ার গুলোও পাচ্ছিনা।

    ধন্যবাদ

    1. ভার্সন দেখতে System -> Administration -> System monitor এ যান, তারপর Systems ট্যাবে ক্লিক করুন।

      ইন্টারনেট নিয়ে এখানে দেখুন।

      কয়েকদিন বেশ ভয়াবহ সময় কাটাচ্ছি। অন্যদিকে সময়ই দিতে পারছিনা। তাই বিস্তারিত আলোচনা করতে পারছিনা বলে খুবই দুঃখিত। তবে হতাশ হবার কারণ নেই! দয়া করে লিনাক্স ফোরামে আপনার সমস্যাগুলো তুলে ধরুন, সেখানকার সদস্যরা আপনার সমস্যা সমাধানে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।

  12. আমার computer-এর মেমোরী ৩২০ গিগাবাইট। C,D,E,F,G,H নামে ছয়টি ড্রাইভ আছে? পার্টিশান বলতে কি আপনি এই ছয়টি কেই বুঝিয়েছেন? প্রশ্নটি একেবারেই বোকা বোকা হয়ে গেল!

  13. বিপদে আছি। এই টিউটরিয়াল অনুসারে উবন্তু১০.০৪ কাজ করেছি। ১০ পর্যন্ত ঠিক মতো করেছি। ১১ নাম্বারে সিডি বের করে এন্টার দিতে পারিনাই তার আগেই রিষ্টার্ট এসে গেছে তাই দিয়েছি।
    কিন্তু উবন্তু চালু হয়নি।১২ তে যেভাবে গ্রাব দেখানো হয়েছে তা হয়নি। যতবারই রিষ্টার্ট দিই উইন্ডোজ৭ দেখায়।
    আমি জি ড্রাইভে দিয়েছিলাম । তা আগে ছিল ৩০ জিবি । এখন তা দেখায় ১৬.৫ জিবি।
    এখন কি করে উবন্তু চালু করবো।

  14. ভাই booting এর সময় তো প্রথম ubuntu start হয়। আমি চাচ্ছি যাতে প্রথম windows start হয়। কি করব??

    1. startup manager দিয়ে কোনটা আগে বুট করতে চান সেটা সিলেক্ট করতে পারবেন। startup manager কিভাবে ইন্সটল করবেন সেটার জন্য এখানে দেখুন।

  15. আমি এই পদ্ধতিতে উবুন্টু ১০.১০ ইন্সটল করেছি। কিন্তু Gparted ব্যবহার করে দেখলাম আমার ext4 স্পেস নিয়েছে ১০০জিবি ও swap 4জিবি। ext4 কি বেশি স্পেস নিলোনা? এটা কমানোর কি কোন উপায় আছে?

    1. জায়গা কমাতে হলে জিপার্টেড দিয়েই করতে হবে। তবে জিপার্টেড ব্যবহার করার আগে ইউটিউব বা অন্য জায়গায় একটু টিউটোরিয়াল দেখে নেবেন বা ভার্চুয়াল বক্সে একটু আগে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে নেবেন। কারণ জিপার্টেড ব্যবহার সহজ হলেও অনেক নতুন ব্যবহারকারী প্রথমবার ব্যবহার করতে গিয়ে অনভ্যস্ততার দরুণ কম্পিউটারের ডাটা পুরোপুরি মুছে ফেলে।

      ext4 জায়গা বেশি নিলো না কম নিলো সেটা নির্ভর করছে কতটুক জায়গা আপনি উবুন্টুকে দিতে চান। যেমন আমি ল্যাপটপের পুরো হার্ডডিস্ক জুড়েই উবুন্টু ব্যবহার করি। তাই বেশি না কম সেটা নির্ভর করছে আপনার উপর।

  16. ধন্যবাদ আপনাকে রিপ্লাই দেবার জন্য।

    আপনার উত্তর দেখে মনে হচ্ছে, উবুন্টু ১০০ জিবি স্পেস নিলেও সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয় এবং আমি এই ১০০ জিবি স্পেস অন্য কাজেও ব্যবহার করতে পারবো…যদি তাই হয় তবে কেন শুধু শুধু স্পেস কমাতে যাব?

    1. অবশ্যই অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। আমার কম্পিউটারে একটাই অপারেটিং সিস্টেম, সেটা উবুন্টু। তাই আমি শুধু ‘অন্য’ কাজে নয়, বরং ‘সব’ কাজেই উবুন্টু ব্যবহার করি। তাই আসলে বেশি-কম জায়গায়র ব্যাপারটা আমার কাছে খুব একটা গুরত্বপূর্ণ কিছু নয়! 🙂

      আপনি যদি পাশাপাশি উইন্ডোজ ব্যবহার করেন আর উবুন্টুর পার্টিশনে ext4 ফাইল সিস্টেম ব্যবহার করেন তবে উবুন্টু পার্টিশনে রাখা জিনিসপত্র (অডিও, ভিডিও, ডকুমেন্ট ইত্যাদি) উইন্ডোজ থেকে অ্যাক্সেস করতে পারবেননা। কিন্তু উবুন্টু থেকে উইন্ডোজের পার্টিশন ঠিকই অ্যাক্সেস করতে পারবেন এবং ফাইলগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।

  17. অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। পুরো ব্যপারটা বুঝতে পেরেছি। আমার তাহলে আর ext4 এর সাইজ কমানোর দরকার নাই।

  18. Bro I installed kubuntu. but its too slow. and it responses lately when i commend. what should i do to increase speed? My  Ram=2GB , AGP=1GB, 64 bit system. And i use bluetooth internet connection , in win 7 i use pc suit, but in kubuntu how to install pc suit? Pls help me

    1. আমি নিজে অবশ্য কুবুন্টু ব্যবহারকারী নই। তবে ২ গিগা র‍্যামে তো স্লো হবার কথা না! ‌যদি আপনার এজিপি র‍্যাম থেকে মেমরি শেয়ার করে তবে সেক্ষেত্রে ২ গিগা – ১ গিগা = ১ গিগা জায়গা পাবেন আপনার র‍্যামে। কুবুন্টুর জন্য ১ গিগা খুব বেশি কিছু নয়! এভাবে হলে স্লো হতে পারে।

      তাছাড়া আপনি কি এই পোস্টের পদ্ধতিতেই ইন্সটল করেছেন? যদি এই পদ্ধতিতে ইন্সটল করে থাকেন তাহলে তো সমস্যা হবার কথা নয়। যদি উবি দিয়ে করে থাকেন তবে অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে।

      “টু স্লো” বলতে কী বোঝাচ্ছেন? মাউস নাড়াতে সময় অনেক বেশি লাগে (মাউস আটকে আটকে চলে)? নাকি ক্লিক করার পর কোন প্রোগ্রাম চালু হতে সময় বেশি লাগে? উবুন্টু’র বেশিরভাগ প্রোগ্রামে কিন্তু স্প্ল্যাশ স্ক্রিন থাকেনা। তাই উইন্ডোজে একটা প্রোগ্রাম ক্লিক করা মাত্রই যেমন প্রথমে স্প্ল্যাশ স্ক্রিন আসে তারপর প্রোগ্রামটি চালু হয়, উবুন্টুতে সেরকম হয়না। কোন স্প্ল্যাশ স্ক্রিন চালু না হয়েই সরাসরি প্রোগ্রাম চালু হয়, ফলে স্প্ল্যাশ স্ক্রিনের সময়টুকুতে মন হতে পারে যে কম্পিউটার দেরিতে রেসপন্স করছে।

      দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে পিসিস্যুট উবুন্টু সাপোর্ট করেনা। তবে প্রচুর উবুন্টু ব্যবহারকারী ব্লুটুথে মোবাইল দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। আমার নিজের অভিজ্ঞতা নেই বলে কিছু বলতে পারছিনা, তবে নিচের লিংকে গিয়ে মেইল করে দেখতে পারেন, অনেক ব্যবহারকারিই সাড়া দেবেন।
      https://lists.ubuntu.com/mailman/listinfo/ubuntu-bd

  19. ‘too slow’ means mouse moves slowly & program loads lately. I installed kubuntu alongside win 7 according to ur instructions except any problems , win 7 run speed is good and its a licensed window but I’m worried about kubuntu, anyways kubuntu  looks really awesome & I’m loving it :D, tanks 4 ur reply. and how can I comment in bangla ?

    1. আমি আসলেই বুঝতে পারছিনা সমস্যাটা, হয়তো সামনা সামনি কম্পিউটারটি দেখলে বোঝা যেত। তাছাড়া আমি ব্যক্তিগতভাবে কুবুন্টু-ইউজার নই, তাই এর ইন্টারফেসের সাথেও সেভাবে পরিচিত নই যে আপনাকে কিছু ইন্সট্রাকশন দিতে পারব। 😛

      আপনি এক কাজ করুন। উবুন্টুর মেইন ফোরামে গিয়ে আপনার সমস্যার কথা বলতে পারেন। মূল ফোরামের ঠিকানা হচ্ছে http://ubuntuforums.org/ । এছাড়াও আপনি আস্কুবুন্টু তেও প্রশ্ন করতে পারেন। এর ঠিকানা হচ্ছে http://www.askubuntu.com/ । মিলিয়ন মিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছে ওখানে, সাহায্য করার লোকের অভাব নেই!

      ডিফল্টভাবে ‘জাতীয়’ এবং ‘প্রভাত’ নামে দুটো বাংলা কিবোর্ড উবুন্টু/কুবুন্টুর সাথে দিয়ে দেয়া থাকে। কুবুন্টুর ‘System’ মেনু টাইপের কোথাও (উইন্ডোজের কন্ট্রোল প্যানেল টাইপ) গিয়ে ‘Keyboard’ অপশনটি খুঁজে বের করে, সেকান থেকে কিবোর্ড লেয়াউটটি ব্যবহার করতে পারবেন। 

  20. ভাই আমার পিসি তে c drive সারা আর কুনু ড্রাইভ নাই , কিভাবে সেটআপ দিব।

    1. এই পোস্টটিতে যেভাবে বলা আছে সেভাবেই সেটাপ করুন। এই পদ্ধতির জন্য আলাদা কোন ড্রাইভ বা পার্টিশন লাগবেনা। উবুন্টু অটোমেটিক উইন্ডোজের পাশাপাশি ইন্সটল হয়ে যাবে।

  21. ভাই, বিপদে পড়লাম। আমি উবুন্টু ১০.১০ ব্যবহার করতাম। উইন্ডোজের সাথে ডাবল বুট হিসেবে। আপনার দেখানো এই পদ্ধতিতেই ইন্সটল করেছিলাম। সবকিছু ঠিকই চলছিল। সমস্যায় পড়লাম নতুন করে উইন্ডোস ইন্সটল করার পর। এখন দেখি গ্রাব দেখা যায়না। আর আমিও আমার উবুন্টুতে ঢুকতে পারছিনা। এর আগে আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি বলেছিলেন উইন্ডোস ইন্সটল করলে সমস্যা হবেনা, উবুন্টু থেকে যাবে। এখন কিভাবে কী করবো বুঝতে পারছিনা।

    1. কম্পিউটারে উবুন্টু ঠিকই আছে! সমস্যা হচ্ছে উইন্ডোজ ইন্সটল হবার পর পিসিতে অন্য কোন অপারেটিং সিস্টেম থাকলেও সেটা চিনতে পারেনা। এজন্য লাইভ সিডি দিয়ে গ্রাবকে আপডেট করতে হবে। আপডেট করার পুরো প্রক্রিয়াটি নিচের লিংকে পাওয়া যাবেঃ
      http://forum.amaderprojukti.com/viewtopic.php?f=42&t=5149

  22. ধন্যবাদ আপনাকে।সেই দুপুর থেকে এটা নিয়ে কাজ করছি। আপনি যে লিঙ্কটা দিয়েছেন আমি নেটে খুজে সেরকমই একটি টিউটোরিয়াল পেয়ে সমস্যার আংশিক সমাধান করেছি। কিন্তু কিছু প্রশ্ন ও সমস্যা রয়ে গেছে। প্রথম প্রশ্ন হল, যেহেতু আমি উবুন্টু ১০.১০ ব্যবহার করি তাই আমার গ্রাব২ থাকার কথা। (রেফঃhttps://help.ubuntu.com/community/RecoveringUbuntuAfterInstallingWindows)(
    You can check the current version installed on your system via Synaptic or from the command line. Open a Terminal and enter the following:
    grub-install -v
    GRUB 2 should display a version number of 1.96 or later. Legacy GRUB is version 0.97.

    )
    কিন্তু আমার এখানে দেখায় 0.97। মানে গ্রাব লিগেসি !!! অথচ, আমি আপনার দেয়া লিঙ্কের প্রথানুযায়ীই কাজ করেছি। তবে একটু সমস্যা আমাকে ফেইস করতে হয়েছে। সেটা হল ঃsudo grub-install –root-directory=/media/sda*/dev/sda এই কমাড দেবার পর আমাকে বলত যে আমার গ্রাবই নেই। এবং আমাকে গ্রাব ইন্সটল করতে হবে ও সেটা এপ্ট কমান্ড ব্যবহার করে। তাই আমাকে সেইভাবে গ্রাব ইন্সটল করার পর পুনরায় উপরের প্রথায় কাজ করতে হয়েছে। যাইহোক, কাজ শেষের পর আমি যেটা লক্ষ্য করলাম যে রিবুট করার পরও গ্রাব দেখায় না ও এবার সরাসরি উবুন্টুতে নিয়ে যায়।কিন্তু বুট করার সময় esc চেপে ধরলে গ্রাব দেখালেও সেখানে উইন্ডোস দেখায় না!!!! পুনরায় https://help.ubuntu.com/community/RecoveringUbuntuAfterInstallingWindows লিঙ্কতের ট্রাবল শুটিং অংশের গ্রাবের জন্য দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী উইন্ডোজকে লিস্টে যোগ করতে পেরেছি ;কিন্তু এখনো গ্রাব দেখায়না; আমাকে বুট করার সময় esc কী চেপে গ্রাবে যেতে হয়। এটা কিভাবে সমাধান করা যায়? এছাড়াও আমি আর একটা জিনিস লক্ষ্য করেছি যে গ্রাবে আমাকে উবুন্টুর ২ জেনেরিক টাইটেল ও ২টা রিকভারি দেখায়, ও ২টা দিয়েই আমি ঢুকতে পারি। অথচ আগে একটাই দেখাত ও অন্যগুলো হয় রিকভারি বা সেফ মুড দেখাতো। কিন্তু আমি তো লিনাক্স একবারও ইন্সটল করেছি!!! এমন হবার কারণ কী ও এ থেকে উৎরানোর উপায় কী?

    ভাই খুব বিরক্ত করলাম; যদি সমস্যটা বুঝে একটু সমাধান দিতে পারতেন খুব উপকার হত…

    ধন্যবাদ…

    1. আমি হয় ব্যাপারটা হয় পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারছিনা কিংবা আগে কখনো এভাবে পড়িনি বলে সমাধান আমার নাগালের বাইরে! উবুন্টুবিডি মেইলিং লিস্ট বা উবুন্টু ফোরামে প্রশ্নটা করে দেখা যেতে পারে!

  23. আপনার লেখা উবুন্টু টিউটোরিয়ালগুলো অসাধারণ হয়েছে।আপানার লেখাসমুহ যদি টেকটিউনস এ সিরিজ হিসেবে লিখতেন তাহলে অনেক ভাল হত।আমরা কয়েকজন(শামীম ভাই,শাওন,নাহিদ) নিয়মিত লিনাক্স নিয়ে লেখাতে অনেকই লিনাক্স ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।কিন্তু ইন্সটলেশনের ব্যাপার বা পরবর্তী সময়ে সমস্যায় পড়ে লিনাক্স থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।যেমন, অনেকে ইন্সটলের সময় হার্ড্ডিস্ক এর পার্টিশান ভেঙ্গে পুরো হার্ডডিস্ক এ লিনাক্স ইন্সটল করে ফেলেছে বা ডুয়েল বুট করতে গিয়ে দুইটাতেই সমস্যা হয়েছে।এছাড়া সফটওয়ার ইন্সটলেশান,টার্মিনাল কমান্ড এগুলো নিয়ে সঠিক দিক-নির্দেশনা না থাকাতে অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে অনিচ্ছা স্বত্বেও।আমি লিনাক্সে নতুন তাই তেমন কিছু জানি না।আপনি যদি এই টিউটোরিয়াল গুলো ওখানে কপি করে দিতেন তাহলে ভাল হত।আপনার সময় না থাকলে আমি আপনার নাম দিয়ে বা আপানার নামে আইডি খুলে লিখে দিব,যদি আপনি বলেন।তবে পোস্ট সম্পর্কে  কেউ মন্তব্য করলে বা কোন বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে আপনি উত্তর দিলে ভাল হয়।আমি টেকটিউনস এর একজন টিউনার,এডমিনিস্ট্রেশানের সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।যেহেতু এটি বহুল প্রচারিত সাইট তাই এখানে আপনাকে লেখার অনুরোধ করছি সবার পক্ষ থেকে।ধন্যবাদ।

    1. আসলে দিন দিন এত ব্যস্ত হয়ে পড়ছি যে, আরেকটি অনলাইন ফোরাম/সাইটে যোগ দেবার মত সময়-ইচ্ছা কোনটাই হয় না। আমার লেখাগুলো লিংক উল্লেখ করে যে কোন জায়গায় অবানিজ্যিক কাজে শেয়ার/পেস্ট করতে পারবেন। তাই টেকটিউন্সে যদি আপনি আমার লেখাগুলো পুনঃপ্রকাশ করতে চান তবে আমার কোন আপত্তি নেই।  যদি সেটা প্রকাশ করেন তবে দয়া করে প্রকাশিত লেখার একটা লিংক এখানে লিখে দিলে খুব ভালো হয়!

  24. একটা সমস্যা হয়েছে।

    আমার ঊবুন্টু (10.04)সিডিটা লাইভ চলছে না। প্রথম অপশনটাই আসে না।(Try Ubuntu without any change to your computer)।

    আগেই ইন্সটল করা ছিলো।কিন্তু আমি উইন্ডোজ-এ সেট আপ দেয়ার পর আবার যখন গ্রাব
    ২ ইন্সটল করতে গেলাম তখন দেখি সিডি চালালে ছয়টা অপশন আসে,শুরু হয় “Install
    Ubuntu”-এটা দিয়ে।

    এখন কিভাবে কি করব?

    1. আপনি কি ল্যুসিডের এই একই সিডি দিয়ে আগে কখনো ইন্সটল করেছিলেন? নাকি এটাই প্রথমবার? আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে আপনি কি ডেস্কটপ সিডি নামিয়েছেন নাকি অল্টারনেটিভ (alternative) বা সার্ভারের সিডি নামিয়েছেন? ডেস্কটপ ছাড়া অন্যগুলোতে Try Ubuntu without any change to your computer অপশনটি নেই।

  25. বললাম না…আগেই ইন্সটল করা ছিলো………
    আর আমি সিডি নামাইনি……………অর্ডার করেছিলাম…………এটা হল “10.04 LTS Dekstop Edition”
    আর আমি ডেস্কটপেই চালাই…………………
    এই সমস্যাটা নতুন………তাই বুঝতে পারছিনা,
    আগেতো এরকম কোন সমস্যা হয়নি ………………
    আগেও তো উইন্ডোজ-এ সেট আপ দেয়ার পর আবার গ্রাব ২ ইন্সটল করে কাজ করেছি……………..:(

    1. এ সমস্যা আগে কখনো কারো কাছে শুনিনি, তাই বেশ আজবই লাগছে। গুগল করে আপনার মতই আরেকজনের একই সমস্যার কথা জানলাম। অবশ্য তার সমস্যাটা “আপনাআপনিই” ঠিক হয়ে গিয়েছিল!

      যাই হোক আমার হাতে আপাতত এর কোন সমাধান নেই বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। খুব ভালো হয় যদি উবুন্টুর মূল ফোরামে সমস্যাটির কথা জানিয়ে একটা পোস্ট দেন।

Leave a Reply