বন্টু-মিন্টুর গুষ্ঠি কিলাই!


ইদানিং দেখি লোকজন নতুন ফ্যাশান ধরেছে- কম্পিউটারে লিনাক্স ব্যবহার করে! স্টাইল নিয়ে বলে “আমি বন্টু”-“আমি মিন্টু”। ভড়কে গেলেন? ভাবছেন বন্টু-মিন্টু কী জিনিস! হে হে হে, এগুলো হলো গিয়ে উবুন্টু আর মিন্ট ব্যবহারকারীদের নয়া নাম! কম্পুকানা পোলাপান যারা লেখালেখি, গেম আর গান-মুভি ছাড়া কিছু বুঝেনা, তারাও দেখি এখন লিনাক্স চালায়। আবার ঠোঁট উল্টে বলে কিনা লিনাক্স চালাতে কোন কম্পুজ্ঞান লাগেনা। বুঝেন ঠ্যালা! সারাজীবন শুনলাম উইন্ডোজ চালাতে কোন কম্পুজ্ঞান লাগেনা আর এরা বলে কিনা পোলাপান-বুড়াপান-খিলিপান-সবুজপান সবাই নাকি লিনাক্স ব্যবহার করতে পারবে। যাইহোক, ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে আমিও উবুন্টু আর মিন্ট নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লাম। ঘাঁটাঘাঁটি করে বুঝলাম যে লিনাক্সের মত কঠিন ও জঘন্য জিনিস দুইটা নাই। প্রমাণ চান? তাহলে চলেন, সামনে যেতে যেতে আলাপ করি…


আলাপের আগে ছোট একটা কথা। যে জিনিসকে কিলাতে চাই সেটার ছোটখাট কিছু বর্ণনা দেয়া উচিৎ। লিনাক্স হচ্ছে গিয়ে একটা কার্নেল। কার্নেলের সাথে বহু কিছু যোগ-বিয়োগ করে অপারেটিং সিস্টেম বানানো হয়। এভাবে লিনাক্সের অনেকগুলা অপারেটিং সিস্টেম আছে। এই যেমন- উবুন্টু, লিনাক্স মিন্ট, রেডহ্যাট, ফেডোরা, স্যুযে – এরকম বহু ওএস আছে, সবগুলাকেই লিনাক্সের উপর বানানো হয়েছে। তাই সবগুলোকে না নিয়ে এখনকার পোলাপান যেই দুটাকে নিয়ে ফুটুংফাটুং করে সেই দুটা – উবুন্টু আর মিন্ট নিয়েই আলাপ করি।

প্রথমেই ধরুন গিয়ে, আমরা উইন্ডোজ চুরি করি। চুরি করার যে কী মজা সেটা চোর নাহলে বুঝবেননা (অবশ্য আপনি যদি চুরি করে উইন্ডোজ ব্যবহার করেন তাহলে আপনি সহজেই ব্যাপারটা বুঝবেন)। ঘুষখোর না হলে ঘুষের মজা যেমন বোঝা যায়না তেমনি চোর না হলে চুরির মজা বোঝা যায়না। আমাদের চুরি আবার এককাঠি সরেস, আমরা টাকা খরচ করে উইন্ডোজ চুরি করি! আর উবুন্টু-মিন্ট হচ্ছে মাগনা জিনিস, টাকা খরচ করতে হয়না। মাগনা জিনিস নিয়ে কি আর চুরির উত্তেজনা আছে!

তারপর ধরুন গিয়ে, উবুন্টু-মিন্টে কী কী জানি ক্যারদানী করা আছে যে, ইচ্ছে করলে এগুলো হার্ডডিস্কে ইন্সটল না করেই সিডি থেকে চালানো যায়, কাজ করা যায়। সিডি ড্রাইভে ডিস্ক ঢুকিয়ে পিসি চালু করলেই হল। বলেনতো, কী দরকার এত ক্যারদানীর! এর চেয়ে উইন্ডোজ দেখেন, কী সহজ একখান জিনিস, চালিয়ে দেখার একটাই রাস্তা- পুরোটা ইন্সটল করতে হবে। পুরোটা ইন্সটল না করে চালানো ছাড়া আর কোন উপায় নাই। তাহলে বলেন দেখি, এসব লাইভ সিডি-টিডি’র কোন বেইল আছে?

উবুন্টুতে সফটওয়্যার ইন্সটলেশনও বহুত ঝামেলার। কী একটা মেন্যু নাকি আছে, সফটওয়্যার সেন্টার নামে, সেখানে নাকি সব সফটওয়্যার পাওয়া যায়। সফটওয়্যার সেন্টারে গিয়ে নাম/ধরন লিখে সফটওয়্যার খুঁজে বের করে “ইন্সটল” বাটনে ক্লিক করলে পরে সফটওয়্যার ইন্সটল হয়। অথচ উইন্ডোজে এই কাজটা আমরা কতই না সহজে করি। প্রথমে গুগল দিয়ে পুরো ইন্টারনেট খুঁজে সফটওয়্যার ডাউনলোড করি, তারপর ডাউনলোড করা ফাইলটাকে ডাবল ক্লিক করে একগাদা নেক্সট-নেক্সট চাপতে থাকি, একটা ধাপে এসে দেখা যায় যে সফটওয়্যারটা সিরিয়াল নাম্বার চাচ্ছে। এইবার চুরি করার পালা! (আগেই বলেছি চোর না হলে চুরি করার মজা বুঝবেননা) আবার গুগল করে বিস্তর ঘাঁটাঘাঁটি করে একগাদা চোরাই সিরিয়াল নাম্বার নামাই। তারপর একটা একটা দিয়ে দেখি কোনটাতে কাজ করে। যদি এগুলো দিয়ে কাজ করে তো ভালো নাহলে আবার গুগল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়। যাই হোক ধরে নিলাম যে প্রথমবারে নামানো সিরিয়াল নাম্বারেই সফটওয়্যারের সিরিয়াল মিলে গেল। তারপর আবার নেক্সট-নেক্সট-নেক্সট। তারপর আর কোন চিন্তা নাই, সফটওয়্যারটা ইন্সটল হয়ে যাবে। দেখেন তাহলে উবুন্টুতে কত ভেজাল করে সফটওয়্যার সেন্টার থেকে সফটওয়্যার খুঁজে তারপর ইন্সটল করতে হয়, উবুন্টু কঠিন নাতো কী!

উবুন্টু’র ডিফল্ট সফটওয়্যারগুলোও আমাকে চরম হতাশ করেছে। ধরুন উইন্ডোজ ইন্সটল করলেন। এখন লেখালেখি করতে চান, এজন্য আপনি পাচ্ছেন ওয়ার্ডপ্যাড, মনের খায়েশে লিখে চলুন। গান শুনতে চান কিংবা ভিডিও দেখতে চান- রয়েছে মিডিয়াপ্লেয়ার। ইন্টারনেটে ঘুরাঘুরি করার জন্য রয়েছে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। আঁকাআঁকি করতে চান- কোই বাত নেহি, এমএসপেইন্ট রয়েছে। এবার আসুন উবুন্টু’র দিকে চোখ ফেরাই। সফটওয়্যারের দিক থেকে এটি এত জঘন্য একটা অপারেটিং সিস্টেম যে আপনি ভয়ানক রকম হতাশ হবেন। লেখালেখি করার জন্য রয়েছে কেবলমাত্র সম্পূর্ণ  একটা অফিস স্যুট – যাতে রয়েছে একটি ওয়ার্ডপ্রসেসর, হিসাবনিকাষের জন্য স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন তৈরির জন্য একটা প্রেজেন্টার। গান শোনার জন্য রয়েছে রিদমবক্স, ভিডিও দেখতে আছে টটেম মুভি প্লেয়ার। আঁকাআঁকি’র কথা আর কী বলব! এর জন্য আছে ওপেনঅফিস ড্রয়িং, মিন্টে আবার বাড়তি রয়েছে গিম্পের মত ফালতু জিনিস যেটা কিনা কাজেকর্মে প্রায় ফটোশপের সাথে তুলনীয়। আর ছবি এডিট করার জন্য আছে এফস্পট। উবুন্টু-মিন্টের ইন্টারনেট বিষয়ক সুবিধার কথা বললে আপনি একেবারেই মুষড়ে পড়বেন। উবুন্টু-মিন্টে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য পাবেন শুধুমাত্র ফায়ারফক্স, সাথে রয়েছে ইমেইল আদান-প্রদানের জন্য একটা ইমেইল ক্লায়েন্ট। সেইসাথে ফেসবুক, টুইটার এইসবকে আপনার ডেস্কটপের সাথে একীভূত করতে রয়েছে গুইবার, এক জায়গা থেকেই সবখানে ঘুরাঘুরি করতে পারবেন। ডাউনলোড করার জন্য রয়েছে একটা বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট আর ডাউনলোড ম্যানেজার। আর চ্যাট করার জন্য রয়েছে এ্যাম্পাথি যা কিনা কেবলমাত্র সামান্য কয়েকটা সার্ভিস সাপোর্ট করে, যেমনঃ ইয়াহু, এমএসএন, গুগলটক, আইআরসি, ফেসবুক, …

কোন প্রিন্টার, স্ক্যানার, মডেম, ক্যামেরা ইত্যাদি ডিভাইস যদি উবুন্টু-মিন্টে চালাতে চান তাহলে খালি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করলেই হল, ড্রাইভার সিডির দরকার হয়না, স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কাজ করে। এমনকি বিল্টইন সাউন্ডকার্ড, গ্রাফিক্সকার্ড,ওয়েবক্যাম এগুলোরও ড্রাইভার লাগেনা – এটা কি ফাজলামো নাকি! একটা কম্পানি এত কষ্ট করে ড্রাইভার সিডি বানালো, সেটার কিনা কোনো দরকারই নেই।  বলেন দেখি, একটা অপারেটিং সিস্টেম কতটুকু জঘন্য হলে সেটা কোন কম্পানির ড্রাইভার সিডিকে উপেক্ষা করে!

উবুন্টু-মিন্টে সিস্টেম পরিচর্যা করার কোন উপায়ই নাই। উইন্ডোজে ভাইরাস, স্পাইওয়্যার এইসব কঠিন কঠিন উচুঁ লেভেলের প্রোগ্রাম চালাতে গিয়ে সিস্টেম প্রায়ই ক্র্যাশ করে। ফলে সপ্তাহে রুটিন করে মেশিনে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করতে হয়। অথচ উবুন্টু-মিন্ট এতই নিম্নমানের যে ভাইরাস-টাইরাস এখানে চলতেই পারেনা, ফলে সিস্টেমও ক্র্যাশট্যাশ হয়না। তাই দেখা যায় যে ঘন ঘন ইন্সটলও করতে হয়না। আপনিই বলুন কম্পিউটারে যদি অপারেটিং সিস্টেম ঘন ঘন ইন্সটল না করা হয় তবে কি সেটা ভালো থাকে? তাছাড়া ভাইরাস, স্পাইওয়্যার এর মত উচুঁ লেভেলের প্রোগ্রাম চলেনা দেখে কোন এন্টিভাইরাসও লাগেনা। আরো ভয়াবহ ব্যাপার হল উবুন্টু-মিন্টের ফাইল সিস্টেম এত বেশি গোছালো থাকে যে এর জন্য এগুলোতে ডিফ্র্যাগমেন্টও নাকি করা লাগেনা, তাই ডিফ্র্যাগমেন্টের কোন অপশনই দেয়া হয়নাই! সবচেয়ে আতংকের কথা হল উবুন্টু-মিন্ট হ্যাং করেনা। কম্পিউটার যদি হ্যাং না-ই করল তাহলে সেটা কীসের কম্পিউটার! হ্যাং করলে পিসি রিস্টার্ট দিতে হয়, যেটা কিনা পিসির জন্য খুব ভালো, এতে পুরো সিস্টেমটি দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা সব ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলে দিয়ে নতুন উদ্যমে কাজ করতে থাকে এবং ভবিষ্যতে আবার হ্যাং করার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে পারে। তাছাড়া গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন, পুরো কাজ সেভ করেননি তার আগেই হঠাৎ করে নীল স্ক্রিন এসে হাজির। রিস্টার্ট দিয়ে সেই একই কাজ আবার নতুন করে শুরু করার মাঝেও একধরণের আনন্দময় স্নায়ুবিক উত্তেজনা কাজ করে, অনেক সময় এমন অবস্থায় লোকজন আনন্দের আতিশয্যে মাথার চুল ছিঁড়ে ফেলে (খুবই স্বাস্থ্যসম্মত কাজ, এতে করে পুরনো চুলের ভারে চাপা পড়া নতুন চুলদের বেড়ে উঠার রাস্তা খুলে যায়)। অথচ উবুন্টু-মিন্ট ব্যবহার করলে এইসব আনন্দময় সময় উপভোগ করার আশা গুড়েবালি।

উবুন্টু-মিন্টের জন্য হাইফাই হার্ডওয়্যারেরও দরকার নেই, এগুলো পুরানো হার্ডওয়্যারেও চলে! ফলে আপনি যে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে পাল্লা দিয়ে বছর বছর দামী দামী হার্ডওয়্যার পাল্টাবেন, সেটি হচ্ছেনা। পুরনো হার্ডওয়্যারেই বছরের পর বছর পার করে দিতে হবে। এমনকি থ্রিডি ডেস্কটপ বা বিভিন্ন ক্যারাবারা ইফেক্ট দেখার জন্য যে বাজারে নতুন আসা থ্রিডি গ্রাফিক্স কার্ডটা কিনবেন তারও জো নাই, উবুন্টু-মিন্টে বিল্টইন গ্রাফিক্স কার্ডেই ডেস্কটপের বিভিন্ন ক্যারাব্যারা ইফেক্ট আনা যায়। তাছাড়া উবুন্টু-মিন্ট এত দ্রুত বুট হয় যে আপনি যে পিসির বাটন অন করে একটু বাথরুম থেকে ঘুরে আসবেন বা চা-নাস্তা খেয়ে আসবেন, সেটাও হবেনা।

উবুন্টু-মিন্ট এতই জঘন্য যে লোকজন এগুলোর দিকে ফিরেও তাকায়না। তাই মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য এগুলোতে শুধু ইংলিশই নয় বরং অন্যান্য ভাষার কিবোর্ডও আগে থেকেই দিয়ে দেয়া থাকে। এই যেমন ধরুন গিয়ে বাংলা ভাষার কথা। উবুন্টু-মিন্টে বাংলায় লেখার জন্য প্রভাত, ইউনিজয় আর জাতীয় কিবোর্ডের লেয়াউট দিয়ে দেয়াই থাকে। ইদানিং আবার বাংলাদেশের একমাত্র পাইরেটেড সফটওয়্যারের খেতাব পাওয়া অভ্রও উবুন্টু-মিন্টের জন্য ফনেটিক ভার্সন বের করেছে। নিন্দুকেরা বলে উবুন্টুতে নাকি বাংলা ফন্টের স্মুদিং উইন্ডোজের চেয়ে অনেক ভালো, ফলে ফন্টগুলো নাকি একদম ঝরঝরে স্পষ্ট দেখা যায়। আহারে বেচারারা!

লিনাক্সের জন্য প্রচুর গেম আছে। উবুন্টু-মিন্ট কিন্তু সেগুলো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে পারে। অথচ তারা সেটা না করে উইন্ডোজের গেমের দিকেও হাত বাড়িয়েছে। ওয়াইন নামে কী এক আজব সফটওয়্যার আছে যেটা কিনা উইন্ডোজের গেমগুলোকেও উবুন্টু মিন্টে চালিয়ে ফেলে! লিনাক্সের গেমগুলোতো চলেই, সেই সাথে উইন্ডোজের গেমও যোগ হয়েছে। এক অপারেটিং সিস্টেমের জন্য তৈরি করা জিনিস আরেক অপারেটিং সিস্টেমে চালায় – কী রকম নীচু মানসিকতা হলে এরকম করা সম্ভব, বলেন তো!

উপরের আলোচনায় নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন যে উবুন্টু-মিন্ট কত ফালতু অপারেটিং সিস্টেম। এইরকম ফালতু মানের অপারেটিং সিস্টেম দেখলেই তো কষে দু ঘা কিল বসিয়ে দিতে ইচ্ছে করে। অথচ লোকজন কিনা গর্ব করে বলে যে “আমি উবুন্টু চালাই”, “আমি মিন্ট চালাই”। শুধু তাই না যারা চুরি করে উইন্ডোজ ব্যবহার করে তাদের দেখে এরা আবার হাসাহাসিও করে। চোর কি হাসির বস্তু? চোরের কি মানসম্মান নাই? দেশে কি মানসম্মত চোরের এতই আকাল? অবস্থা এখন এমন যে লিনাক্স নিয়ে কাউকে তাই কথা বলতে দেখলেই মেজাজ খিঁচড়ে যায়। মনে হয় কিলিয়ে ভর্তা বানাই। তাই হে ভাই আমার বোনেরা তোমার, আসুন আমরা এখন থেকে বন্টু-মিন্টুদের ফালতু কথায় কান না দিয়ে চৌর্যবৃত্তিতে ডুবে থাকি। চুরি করে উইন্ডোজ ব্যবহার করব তারপরও মাগনা উবুন্টু-মিন্ট ব্যবহার করবোনা। সফটওয়্যার চুরির তালিকায় বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, আসুন গণহারে চুরি করে আমরা আমাদের দেশকে সেই তালিকার শীর্ষে নিয়ে যাই।



আরো প্রকাশিত হয়েছেঃ

49 thoughts on “বন্টু-মিন্টুর গুষ্ঠি কিলাই!”

  1. হা হা হা

    আসলে আপনি পক্ষে বললেন না বিপক্ষে বললেন তাই বুঝতো পারি নাই 😛

    জটিল লেখা, তবে এই ভাবে আমাগো চোর বলায় কষ্ট পেলাম 😀

    1. ডাক্তারকে যদি ডাক্তার বলা যেতে পারে,
      প্রকৌশলীকে যদি প্রকৌশলী বলা যেতে পারে,
      পুলিশকে যদি পুলিশ বলা যেতে পারে,
      বিচারককে যদি বিচারক বলা যেতে পারে,
      তবে চোরকেও চোর বলা যেতে পারে। 😀

      কষ্ট পেয়ে যদি ভালো হও তাহলেই আমার সার্থকতা…

  2. ha ha ha….
    Haste haste pet fete jasse…….er por o jodi chorder bodhodoy hoy……

    Eti,
    bontu tanveer

  3. মজা পাইলাম :)। আজকাল আমার অভ্যেস খারাপ হয়ে গেছে… Laptop এর সাথে genuine VISTA পাইসিলাম… দুই দিন ব্যবহার করার পর মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো…Vista মুছে উবুন্টু লাগালাম 😛

    1. উবুন্টু নিয়ে এই "সমস্যায়" অনেকেই পড়ে… 😀 কিন্তু তাই বলে লাইসেন্সড উইন্ডোজ মুছে উবুন্টু? বাপরে!!

  4. আহা ! আপনার মত আমারও মনে অনেক কষ্ট । ১ বছর হইতে চলল , নিজের পিসিতে উইন্ডোস ডিস্ক ড্রিফ্রাগমেন্টারের চেহারা দেখি না .. আপসুস 🙂

    1. শুধু কি ডিফ্র্যাগমেন্ট? এন্টিভাইরাস চালাইতে পারিনা, কোন কিছু ক্র্যাক করার উপায় নাই, মাসে মাসে রিইন্সটল মারতে পারিনা… হাজারো সমস্যা! 😀

  5. এই কথাটায় একটু আপত্তি আছে= "তাই হে ভাই আমার বোনেরা তোমার, " এইডা আসলে হবে, তাই হে ভাইয়েরা তোমার, বোনেরা আমার।"

    হে হে হে হে। লেখাটা প্রিন্ট কইরা নিলাম। আমারে আবার চোর কইয়েন না।

  6. অনেক দিন পর এত প্রান খুলে হাসলাম। অাপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। অনেকদিন ধরে চেস্টা করছি, ওয়াইন দিয়ে অাই, ই চালাতে পারছিনা।

    1. লোকজন এখনো আইই ব্যবহার করে নাকি! 😯 অবশ্য ওয়েব ডেভেলপার বা ডিজাইনার হলে অবশ্য আলাদা কথা। যাই হোক, ওয়াইন দিয়ে তো আইই ইন্সটল করা সোজা, যদিও আইই৭ পর্যন্ত সাপোর্ট করে। সহজে আইই ইন্সটল করতে ওয়াইনের একটা স্ক্রিপটই আছে। নীচের লিংকে যান: http://wiki.winehq.org/winetricks

  7. চমত্কার হয়েছে ভাইয়া। আপনার লেখা আমি আগেও পড়েছি। অনেকদিন পর আবার পড়লাম। অনেক মজা করে লিখেছেন। আমি এখনো উন্ডোজ চাইলাই। সামনে বন্টু ট্রাই করবো ভাবতেছি। আপনার লেখাগুলো কাজে লাগবে।

    ভালো থাকেন।

  8. আমার লাইফটা পানসে হয়ে গেছে এই মিন্টের জন্য। কষ্ট করে আর সি ক্লিনার ব্যবহার করা লাগে না, নিয়ম মাফিক ডিস্ক ড্রিফ্রেগমেন্ট করা লাগে না, এন্টিভাইরাস আপডেটের কথা তো বললাম ই না। আগে পেন ড্রাইভ লাগাতাম খুব দেখে। বোঝেনই তো শখের ল্যাপটপ। আর এখন পেনড্রাইভ লাগানোর সময় এসব মাথায় রাখি না। লাইফটা পানসে হয়ে গেছে।

  9. আপনার ভাষা দুর্দান্ত সে কথা অস্বীকার করবার উপায় নেই | আশা করচি উবুন্টুর জনপ্রিযতা বাড়বে দিনে দিনে. কিন্তু, দু:খিত ! আমি এখনো উবুন্টু থেকে এই মন্তব্য লিখতে সমর্থ হলাম না|

    1. আপনার বাংলা সমস্যা এখনো যায়নি? আপনার কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে ভেবেছিলাম যে সেটা বুঝি সমাধান করা হয়ে গিয়েছে…

  10. আর বলবেন না উবুন্টুর পেছনে পড়ে আমার জরুরি কিছু কাজে প্রচুর ক্ষতি করে ফেলেছিলাম। এখন তার খেসারত দিচ্ছি! আমি একটা নিয়মিত কাগজ সম্পাদনা করি। ওতি বের করতে দেরি হয়ে গেছিল। এখন বেরুলো যদিও
    পরবর্তী কাজওতো কম জমেনি!

    1. শুনে খারাপ লাগলো। অবাক হলাম যে অভ্র'র মত এত সামান্য ছোটখাট একটা সফটওয়্যার আপনার পিসিতে চলছেনা! শুধু যে চলছেনা তাই-ই না বরং এতজন মানুষ চেষ্টা করার পরও চালাতে পারেনি!

  11. আমি মিন্টু হইমু কেমনে, সেইটা কন। সচলেও তা জানতে চেয়েছি। আর তো দেরি সহ্য হইতেছে না !

    1. আরে রণ'দা যে! 🙂 আপনেও মিন্টু হইতে চান? গুড গুড। সচলায়তনে আপনার কমেন্টটা চোখে পড়ে নাই 😛

      মিন্টু হইতে দুইখান জিনিস লাগবেঃ
      ১। মিন্টের সিডি/ডিভিডি। সিডি/ডিভিডি এইখান থেকে ডাউনলোডান। ডাউনলোডানোর ভেজালে যাইতে না চাইলে এইখানে অথবা এইখানে রিকোয়েস্ট পাঠান, দেখবেন লোকজন আপনার জন্য জান তো জান, সিডি/ডিভিডি সব দিয়ে দিবে।
      ২। যেকোন সমস্যায় পাশে পাবার মত লোক পেতে লিনাক্স-মিন্ট ফোরামে অথবা/এবং আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে যোগ দিন। আওয়াজ দিলেই দেখবেন সমাধান হাজির। এমন কি আওয়াজের চোটে লোকজন বাসায় গিয়েও মিন্ট সেটাপ দিয়ে আসতে পারে!

  12. Vai,apni to Mint ar UBUNTUR proti amar agroho chorom porjaye niye gelen…Dhonnobad….
    Ami kichudin Mint use korechilam….kintu Ami PC Suite diye net chalai….Eta ki Mint e kkonovabe kaje lagano jay?Jodi e bepare amake help koren,to onek khushi hobo…Dhonnobad…… 🙂

    Amake doya kore ekta mail pathaben…….

    imran.ndc@gmail.com

    1. পিসি স্যুট দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা আমার নেই, সত্যি বলতে কি, মোবাইল ফোন দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করার কোনো অভিজ্ঞতাই নেই আমার। তাই এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারছিনা বলে দুঃখিত। তবে হতাশ হবার কিছু নেই, আমি না পারলেও সাহায্য আরো অনেকেই আছেন যারা আপনাকে সাহায্য করতে পারবে। এজন্য আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে সাহায্য চেয়ে দেখতে পারেন।

    1. আপনার পিসি'র র‍্যাম যদি কম হয় তাহলে তো প্রেশার দিলে এরকম হবেই। কম র‍্যামের পিসিতে উবুন্টু বা মিন্ট ব্যবহার না করে, জুবুন্টু বা লুবুন্টু ব্যবহার করে দেখতে পারেন। আর উবুন্টুতে অভ্র ব্যবহার করতে হলে এই লেখাটা দেখুন।

      1. vaijan amar PC er ram 4 GB
        processor 3 core i 7
        HD 1 TB
        app to dhouranor kotha
        obossho ubuntu te hang korena
        linux MINT e hang kore

  13. অসাধারণ একটা লেখা। লেখাটা পড়ে সবার সাথে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না। তাই মূল লেখার সূত্র উল্লেখ করে আমি লেখাটি 'টেকটিউনস'-র প্রকাশ করলাম।

    টেকটিউনসে লেখাটির লিংকঃ http://techtunes.com.bd/linux/tune-id/29195/

  14. অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম মিন্টু হবো । কিন্তু আপনার পোষ্ট পড়ে ঠিক করলাম আর নয় বন্টু-মিন্টু । এমন যাচ্ছেতাই অপারেটিং সিস্টেম থেকে আমায় বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ । উফ …… ভিস্তা ব্যাবহার করে কি যে শান্তিতে আছি …………………………

  15. অসাধারন!!! পোস্ট-এর শিরোনাম দেখেতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। 😀

  16. ভাইজান,আপনার কথামত প্রথমে মিন্টু হইছিলাম………এখন আমি বন্টু……দুইটাই চরম……

    1. শুনে খুব ভালো লাগলো ভাই! এবার পরবর্তী ধাপ হচ্ছে লিফো তে নিবন্ধন করে ফেলুন। তারপর আজব কিসিমের যত সমস্যা পাবেন সব ঐখানে উগড়ে দিতে থাকুন! 🙂

  17. আমি উবুন্টু ১০.১০ ব্যবহার করি, কিন্তু এতে সিটিসেলের মোফেম ইন্সটল করতে পারছি না। কেউ কি হেল্প করবেন?

  18. উফ ! অসাধারন পোষ্ট । খেলবো বলে আমাদের নিয়ে গিয়ে ছলে বলে কৌশলে আমাদের কেমন বন্টু – মিন্টু শিখিয়ে দিলেন । “দাদারে অংক শেখাচ্ছে পালা – পালা”(একটা গল্প আছে ) বলে যে পালাবো , তার কোনও উপায় রাখেন নি । আর রাখলেই বা কি হোতো – ‘অংক’ তো ততক্ষনে আমাদের ছলনা করে , আমাদের অশিক্ষিত থাকবার গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে স্বৈরাচারীর মতো আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন ।
    এর পরেও কেউ যদি ঘুমিয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে যে সে জেগে ঘুমাচ্ছে ; তাকে আর জাগাবার দরকার নেই ।
    এরকম আরও লেখা চাই । ভালো থাকুন । সুস্থ থাকুন ও আরও আরও কিখে যান ।      

  19. ami local isp er kas theke neya broadband internet use kori. onek din dhorei ubuntu use korar jonno mon akupaku korche, but jar jonno parche na ta holo net connection ubuntu te configure kora. agei bole nicche je ami advance level er computer user na. ami amr knowledge onujaie ja ja korar dorkar sob vabei ubuntu te broadband(DSL) connection configure korar cesta koreche but internet use korte parche na. ami amr internet connection er screenshot pathalam. kindly help korle onek upokar hoto…

    1. আপনার কানেকশনটা কী ধরনের সেটা জানা দরকার! আপনি কি ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড দিয়ে কানেক্ট করেন? মানে কানেকশনটা কি pppoe?

  20. স্যার আপনি একটা বস লেখক এটা জানতাম ,এখন তো দেখি আমি আপনার লেখার ক্ষমতা সম্পর্কে কোন ধারনাই রাখি না। সেই লেভেলের লেখা স্যার। আরও বেশি লিখুন ।

Leave a Reply to Tanveer Hossain Cancel reply