উবুন্টু আর মিন্টকে ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে…

আমাদের প্রযুক্তি তে উবুন্টু আর মিন্ট সম্পর্কে লোকজনকে কিভাবে আগ্রহী আর সচেতন করা যায় সে বিষয়ে একটা থ্রেড আছে। সেই থ্রেডে একবার প্রস্তাব করেছিলাম যে কিছু ওয়েব-স্টিকার বা ওয়েব-ব্যানার (যেগুলো ইউজারবার নামে পরিচিত) তৈরি করতে যেগুলো সবাই বিভিন্ন ফোরাম, ব্লগ, সাইট, ইমেইল অর্থাৎ পুরো ইন্টারনেটের যেকোন জায়গায় ব্যাবহার করতে পারবে, হোক সেটা সিগনেচার হিসেবে অথবা সাইটের সাইটবার বা ফুটারে ব্যানার হিসেবে। সেই প্রস্তাব থেকেই গুতিয়ে গুতিয়ে নিজে কিছু ইউজারবার বানাবার চেষ্টা করলাম।
Continue reading উবুন্টু আর মিন্টকে ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে…

উবুন্টু উপাখ্যানঃ মানুষের জন্য লিনাক্স!

  • শুরুর গল্পঃ

শুনতে অনেকটা রূপকথার মত শোনাবে। দুষ্ট সফটওয়ার কম্পানিগুলো যখন পৃথিবীর মানুষদের তাদের হাতের মুঠোয় পুরে ফেলার চেষ্টা করা শুরু করল তখন এক আধপাগলা লোক একাই দাঁড়িয়ে গেলেন সেইসব কম্পানির বিপক্ষে। সফটওয়ার কম্পানিগুলো চাচ্ছিল সফটওয়ার লিখতে যেই কোডগুলো দরকার সেগুলোকে নিজের কাছে রাখবে, পৃথিবীর আর কেউ সেগুলো দেখতে পারবেনা। সেই কোড দিয়ে যে সফটওয়ারগুলো তৈরি হবে মানুষ কেবল সেগুলোই ব্যবহার করতে পারবে। কেউ যদি নিজের ইচ্ছেমত সেসব কোড পাল্টাতে চায় তাও সম্ভব না। কিন্তু ঐ আধপাগলা লোক এটা মেনে নিতে পারলেননা। তিনি বললেন সবকিছু হতে হবে ওপেনসোর্স, অর্থাৎ সবাই সব সোর্স কোড দেখতে পাবে, নাড়াচাড়া করতে পারবে, নিজের সৃষ্টিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু তৈরি করবে। সোর্স কোড হচ্ছে একটা প্রোগ্রামের সেই কোড যার উপর পুরো সফটওয়ারটা দাড়িয়ে আছে। এই কোড যদি কেউ পায় তাহলে ইচ্ছা করলেই সে সেই প্রোগ্রামে পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করতে পারবে। আধপাগলা সেই লোকটার নাম রিচার্ড স্টলম্যান। দুর্ধর্ষ প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত স্টলম্যান একাই দাঁড়িয়ে গেলেন দুষ্ট সফটওয়ার কম্পানিগুলোর রাজত্বের বিরুদ্ধে। ধীরে ধীরে তার সাথে আরো অনেকই যোগ দিলেন। তারা গড়ে তোলে নিজেদের মুক্ত রাজত্ব গ্নু (GNU)। কিন্তু গড়ে তুললেই তো আর হবেনা। সেই রাজত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য আর দুষ্ট সফটওয়ার কম্পানিগুলোর বিপক্ষে শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য একটা অপারেটিং সিস্টেমের যে দরকার। কারন সেই সময়টায় দুষ্ট কম্পানিগুলোর অপারেটিং সিস্টেমে যে বাজার ভরে গেছে। Continue reading উবুন্টু উপাখ্যানঃ মানুষের জন্য লিনাক্স!

টার্মিনাল নিয়ে টানাটানি

মানুষজন লিনাক্সে আসতে চায়না যে কটা কারনে তার মধ্যে মনে হয় সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত কারন হচ্ছে “লিনাক্সে কোড লিখতে হয়“! সাধারন ব্যবহারকারিদের মধ্যে কোড লেখার প্রতি একটা ভীতি সবসময়ই কাজ করে (হাসি দিয়ে লাভ নাই, আমি নিজেও এই জিনিসটাকে ভয় পেতাম)। অনেকে মাউস পয়েন্টারের পরিবর্তে এইসব কোড লেখাকে মহারাজ মান্ধাতার সম্পত্তি মনে করে। ফলে মহারাজের আমলের জিনিসকে বাদ দিয়ে তারা মাউসের উপর বেশি মাত্রায় নির্ভরশীল। এটা দোষের কিছু না। যার যেটাতে সুবিধা সে সেটাই ব্যবহার করবে। এই বিষয়টা ধরতে পেরেই উবুন্টু গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের উপর এত বেশি জোর দিয়েছে যে, কোন নতুন ইউজার একলাইন কোড না জেনেও তার সাধারন কাজগুলো মাউস ক্লিকে করে নিতে পারবেন। এবার নিশ্চয়ই আমার উপর ক্ষেপে উঠেছেন; নিশ্চয়ই মনে মনে বলছেন – তাহলে ভাই কেন টার্মিনাল নিয়ে খামাখা টানাটানি করছেন? বলছি, একটু সবুর করুন!

Continue reading টার্মিনাল নিয়ে টানাটানি

উবুন্টু ইন্সটলের পর অবশ্য করণীয় কাজের লিস্টি !

বেশ কয়েকজনকে উবুন্টু ইন্সটল করে দেবার পর দেখলাম যে ইন্সটলের পর কিছু কিছু কাজ প্রত্যেকবারই করতে হচ্ছে। নিজের সামান্য জ্ঞানে যা বুঝি সেটা হল এইসব কাজ মোটামুটি সবাইকেই করতে হয়। একজন নতুন উবুন্টু ব্যবহারকারিকেও উবুন্টু ব্যবহারের কোন না পর্যায়ে গিয়ে এই কাজ গুলো করতে হয়। একজন নতুন ব্যবহারকারি যাতে একেবারে ফ্রেশ ইন্সটল করেই খুঁটিনাটি প্রয়োজনীয় সব কিছু হাতের কাছে পায় তার জন্যই এই লিস্টি। আমি চেষ্টা করেছি একেবারে অতি প্রয়োজনীয় ধাপগুলো উল্লেখ করতে যেগুলো কোন পিসিতে উবুন্টু ইনস্টল করার পর আমি সবসময় করে থাকি।
Continue reading উবুন্টু ইন্সটলের পর অবশ্য করণীয় কাজের লিস্টি !

উবুন্টুকে দিন ম্যাকের চেহারা!

এবার ম্যাকের দৃষ্টিনন্দন ডেস্কটপ থিমকে এবার আনতে পারেন আপনার উবুন্টু বা মিন্টে। নিচের ছবি দুটো দেখুন। প্রথমটা আমার ল্যাপির (উবুন্টু ৯.০৪), দ্বিতীয়টা আমার পিসির (যেটাতে আছে লিনাক্স মিন্ট ৭)।

Continue reading উবুন্টুকে দিন ম্যাকের চেহারা!

বোকাসোকা প্রশ্ন!

মাত্র লিনাক্স ব্যবহার করা শুরু করেছি, তখন বলতে গেলে এক্কেবারে কিছুই জানিনা। অজ্ঞতার কারনে অনেক অপরিপক্ক প্রশ্ন মাথার মধ্যে আসে যেগুলো হয়ত বাঘা বাঘা লিনাক্সবোদ্ধাদের কে জিজ্ঞেস করলে বাঁকা হাসি দিবে! তারপরও তো জানতে হবে, অন্তত নিজের তাগিদেই। তাই মাঝে মধ্যেই আমার এইসব বোকা-সোকা প্রশ্নগুলো নিয়ে ইন্টারনেট ঘাঁটাঘাটি করতাম, এখনো অবশ্য করি। মাঝমধ্যে পেয়ে যাই, কখনো বা লিঙ্কের সাগরে তলিয়ে যাই, কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই এত কাঠখোট্টা-টেকি কথা থাকে যে আমার মত নাদান লিনাক্স-ইউজাররা কঠিনভাবে ভড়কায় যায়। তবে আমি ভড়কায় গেলেও চেষ্টা থামাইনা, কারন আমাকে লিনাক্সের জ্ঞান নিতে হবে, শাস্ত্রে বলা আছে জ্ঞান নিতে সুদূর চীন পর্যন্ত যেতে হবে, কিন্তু চৈনিক সাইটগুলাতে চৈনিক ভাষা ব্যবহার করায় কাজটা আমার জন্য আরো জটিল হয়ে গেছে!

যাই হোক সেই নাদান মনের বোকা বোকা সেসব প্রশ্ন নিয়েই আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে বিভিন্ন পোস্ট দিতাম। ভয়ে ভয়ে থাকতাম আমার এইসব হাবিজাবি প্রশ্ন শুনে না আবার তারা আমাকে কঠিন ঝাড়ি দেয়! কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে ফোরামের লিনাক্সবোদ্ধারা আমাকে এ ব্যাপারে প্রচন্ড সাহায্য করা শুরু করলেন। তাই ভাবলাম সেসব পোস্ট নতুন লিনাক্স ব্যবহারকারিদের সাথে ভাগাভাগি করি, নতুনদের বেশ উপকারে আসবে।

পোস্টগুলো নীচে লিঙ্কাকারে দেয়া হল। এইসব লিঙ্কে ক্লিক করলে আপনি আমাদের প্রযুক্তি ফোরামে সংশ্লিষ্ট পোস্টে চলে যাবেন।

উবুন্টু ৯.০৪ সহায়িকা (উবুন্টু বাংলাদেশ)

অনেকদিন থেকে বাংলায় উবুন্টু চলতি ভার্সনের জন্য একটা ভাল টিউটোরিয়াল খুঁজছেন? ভাবছেন, অমুক বন্ধুকে একটা বাংলা টিউটোরিয়াল দিতে পারলে ভাল হত? কিংবা ভাল টিউটোরিয়াল না পেয়ে উবুন্টুটা একলা একলা ইনস্টল করা সাহস পাচ্ছেন না? তবে এইবার বোধহয় আপনার অপেক্ষার পালা ফুরোলো। Continue reading উবুন্টু ৯.০৪ সহায়িকা (উবুন্টু বাংলাদেশ)